আচ্ছা! আপনি কিসের তালাশ /খোঁজ করছেন?
বিজ্ঞান কি সত্যিই বলে, নাকি অস্বীকার করে যে, সৃষ্টিকর্তা বা ঈশ্বর বলে কিছু নেই?
আপনি এখন যে ডিভাইসে এই লেখাটি পড়ছেন, সেটি কি নিজে নিজে তৈরি হয়েছে?
আপনি হয়তো বলবেন, "এটা কেমন প্রশ্ন? অবশ্যই কেউ তৈরি করেছে। ইঞ্জিনিয়াররা ডিজাইন করেছে, ফ্যাক্টরিতে তৈরি হয়েছে, সফটওয়্যার ডেভেলপাররা প্রোগ্রাম লিখেছে।"
ঠিক। একটি সাধারণ মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার নিজে নিজে তৈরি হতে পারে না। একটি ছোট্ট ঘড়ি নিজে নিজে তৈরি হতে পারে না। একটি সুই পর্যন্ত নিজে নিজে তৈরি হতে পারে না।
কিন্তু তাহলে এই সুবিশাল মহাবিশ্ব, এই পৃথিবী, এই প্রাণের বিস্ময়কর জগৎ, আপনার শরীরের ৩৭ ট্রিলিয়ন কোষ, আপনার চোখের রেটিনা যা প্রতি সেকেন্ডে ১০ মিলিয়ন রঙ আলাদা করতে পারে, আপনার মস্তিষ্কের ১০০ বিলিয়ন নিউরন যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে জটিল বস্তু, এই সবকিছু কি নিজে নিজে, কোনো কারণ ছাড়া, কোনো বুদ্ধিমত্তা ছাড়া, দুর্ঘটনাক্রমে তৈরি হয়ে গেছে?
এই প্রশ্নটি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো, সবচেয়ে গভীর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এবং এই প্রশ্নের উত্তর আপনার জীবনের সবকিছু পরিবর্তন করে দিতে পারে।
খ্রীষ্ট ধর্ম কেন অন্য সকল ধর্ম থেকে আলাদা?
খ্রীষ্টধর্ম কেন পৃথিবীর ৪৩০০+ ধর্ম থেকে আলাদা? এটি কি শুধু আরেকটি ধর্ম, নাকি এমন কিছু যা মানব ইতিহাসে আর কোথাও পাওয়া যায় না? বিজ্ঞান, ইতিহাস, দর্শন ও ধর্মগ্রন্থের আলোকে জানুন।
পৃথিবীতে ইসলাম ধর্মের কেন প্রয়োজন বা প্রয়োজন নেই?
”আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি কি, তা আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। মনে রাখবেন, আপনি আমাদের কাছে সম্পূর্ণ নিরাপদ।”